এফিডেভিট লেখিবার পদ্ধতি সমূহ
আজ এই আর্টিকেলটিতে পঞ্চাশটি এফিডেভিট লেখিবার পদ্ধতি সমূহ বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
ভূমিকা
১৯৬১ সনের দি নোটারিস অর্ডিনেন্স দ্বারা আমাদের দেশে নোটারী পাবলিকদের প্রচলন করা হয়। ইহার আগেও নোটারী পাবলিক ছিল, তবে তাহারা অন্য আইন দ্বারা নিযুক্ত হইত। নোটারী পাবলিক কি? নোটারী পাবলিক একজন এডভোকেট। সরকার তাহাকে কতিপয় কাজ করিবার জন্য নিযুক্ত করেন। নোটারি পাবলিকের প্রধান কাজ এফিডেভিট করিয়া দেওয়া। যে কোন ব্যক্তি নোটারী পাবলিককে সম্বোধন করিয়া কোন বক্তব্য ৫০ টাকা মূল্যের স্ট্যাম্প কাগজে লিখিয়া কোন এডভোকেট দ্বারা উহাতে নিজেকে সনাক্ত করাইয়া নোটারী পাবলিকের সামনে উপস্থাপন করিলে নোটারী পাবলিক সাহেব উহাতে থাকা ঐ ব্যক্তির দস্তখতকে সত্যায়ন করেন। উহার বিনিময়ে নোটারী পাবলিক সাহেব ঐ বক্তির নিকট হইতে কিছু টাকা নিতে পারেন। ঐ স্ট্যাম্প কাগজটিতে নোটারী পাবলিক সাহেব কোন নোটারিয়াল সার্টিফিকেট সংযুক্ত করিলে বর্তমান সময়ে (২০০৬ সনে) ১০০ টাকার নোটারিয়াল স্ট্যাম্প লাগাইতে হয়। ইহা রাষ্ট্রের কর। নোটারী পাবলিক ঐ কাগজটির বক্তব্যের জন্য দায়ী নহেন, কিন্তু ঐ ব্যক্তির দস্তখতটির জন্য দায়ী। আইন ধরিয়া লয় যে ঐ ব্যক্তি নোটারী পাবলিকের সম্মুখে উপস্থিত হইয়া ঐ স্ট্যাম্প কাগজে নিজের নাম দস্তখত করিয়াছেন। ঐ দস্তখতের সত্যতা সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উঠিলে নোটারী পাবলিক সাক্ষ্য প্রদান করিলে ঐ দস্তখত ঐ ব্যক্তির বলিয়া প্রমাণিত হয়। উপরে বর্ণিত কার্যক্রমকে এফিডেভিট করা বা হলফনামা করা বলে। নোটারী পাবলিক যে কোন ব্যক্তির নিকট হইতে শপথ গ্রহণ করিতে পারেন মানে শপথ বাক্য শুনিতে পারেন। ইহা ছাড়া নোটারী পাবলিক যে কোন ব্যক্তির স্বাক্ষরকে সত্যায়ন করিতে পারেন। আমাদের দেশে
নোটারী পাবলিক এফিডেভিট করা এবং সত্যায়ন করা প্রধানত এই দুই কাজই করিয়া থাকেন। অবশ্য নোটারী পাবলিক কোন সরকারি কর্মচারী বা কর্মকর্তা নহেন।
হলফনামা-১
নামের ভুল বানান শুদ্ধ করিবার হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, কামাল হোসেন, পিতামৃত জামাল হোসেন, বয়স ২০ বৎসর, গ্রাম শিমুলতলী, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা লেখাপড়া, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে,
১। আমার নাম কামাল হোসেন এবং উহাকে বাংলায় "কামাল হোসেন" এবং ইংরেজিতে "KAMAL HOSSAIN" লেখা হয়।
২। ভুলবশতঃ আমার এস এস সি সার্টিফিকেট রুল- সাভ, নং-৫৫৫৫৫, ঢাকা বোর্ড, সন-২০০৩ ইং-তে উহাকে "KOMOL HUSEN" লেখা হইয়াছে।
৩। উপরোক্ত সার্টিফিকেটে আমার নাম শুদ্ধ বানাতে ইংরেজিতে "KAMAL HOSSAIN" লিখিত হইতে হইবে।
৪। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
দিল। কয়টি? ইহলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ধনাচিত হামাস পর ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২
নামের ভুল বানান শুদ্ধ করিবার হলফনামার আরেকটি নমুনা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, কামাল হোসেন, পিতা মৃত জামাল হোসেন, বয়স ২০ বৎসর, গ্রাম শিমুলতলী, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা লেখাপড়া, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণপূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমার নাম কামাল হোসেন এবং উহাকে বাংলায় "কামাল হোসেন" লেখা হয়।
২। সম্পূর্ণরূপে ভুলবশতঃ আমার এইচ এস সি সার্টিফিকেট রোল- ঢাকা, নং- ৫৫৫৫৫৫, সন-২০০৪, ঢাকা-বোর্ড- তে উহাকে "কমল হুসেন" লেখা হইয়াছে।
৩। উক্ত সার্টিফিকেটে আমার নামকে শুদ্ধ বানানে "কামাল হোসেন" লিখিতে হইবে/লিখিত হইতে হইবে।
81 উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
সীতা। অরাজাপ উদয়াচচা হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ১২২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী (লোরতীক ব্যালন করল্লার পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-৩
নাম পরিবর্তন করিবার হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, আবদুর রহমান, পিতা মৃত আবদুর রহিম, বয়স ৪৫ বৎসর, ১০, লালবাগ রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণপূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমার নাম ছিল "সোনা মিয়া"।
২। অদ্য আমি আমার নাম "সোনা মিয়া"-এর পরিবর্তে "আবদুর রহমান" রাখিলাম।
৩। অদ্য হইতে আমি সকলের নিকট আবদুর রহমান হিসাবে পরিচিত হইব এবং সকলে আমাকে আবদুর রহমান নামে ডাকিবে।
81 এখন হইতে সকল রেকর্ড পত্রে আমার নাম "সোনা মিয়া"-এর পরিবর্তে "আবদুর রহমান" লিখিত হইতে হইবে।
৫। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবালিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
सांगणारीহলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
হলফনামা-৪
সন্তানের জন্ম তারিখ সম্পর্কে মাতার হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, মোসাম্মত রহিমা খাতুন, স্বামী মৃত আবদুল জলিল, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা গৃহকর্ম, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ
১। আমার পুত্র কামাল হোসেন, পিতা আবদুল জলিল (বর্তমানে মৃত), ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ বিগত ১০/০৩/১৯৭৫ ইং তারিখে আমার গর্ভ হইতে জন্মগ্রহণ করিয়াছে।
উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম। ২।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-৫
সন্তানের জন্ম তারিখ সম্পর্কে পিতার হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
র, ছি
আমি, আবদুল জলিল, পিতা মৃত খলিল মিয়া, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে:
0, ৭৫
১। আমার দ্বিতীয় পুত্র আবদুর রহমান, পিতা আবদুল জলিল (আমি স্বয়ং), ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ আমার ঔরশে আমার স্ত্রী মোসাম্মত হামিদা বেগম-এর গর্ভ হইতে বিগত ১০।০৩। ১৯৮০ ইং তারিখে জন্মগ্রহণ করে এবং আমি তাহার জন্মের সময় উপস্থিত ছিলাম এবং প্রসূতি ও নবজাতক সন্তানের পূর্ণ সেবা-যত্নের ব্যবস্থা করি। সেই সময়ে আমি পরিবার-পরিজনসহ ২০, লালবাগ রোড, থানা লালবাগ, ঢাকা-ঠিকানায় ভাড়াকৃত বাসায় বসবাস করিতাম এবং ঐ বাসাতেই উক্ত আবদুর রহমানের জন্ম হয়।
শুদ্ধ লক
২। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
তিনি নিজ অদ্য টারী
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ কেন পাচার আনাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-৬
কাহারো জন্ম তারিখ সম্পর্কে তাহার মামার হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, আলী আহমেদ খান, পিতা মৃত আলী আফজাল খান, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে:-
১। আমার জেষ্ঠ্য ভাগিনা আবদুর রহমান খান, পিতা মৃত আবদুল হালিম খান, ১৫, লালবাগ রোড, থানা লালবাগ, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ তাহার গর্ভধারিনী মাতা আমার সহোদরা কনিষ্ঠা ভগিনী হামিদা বানুর গর্ভ হইতে বিগত ১০/০৩/১৯৮০ ইং তারিখ আমাদের বাড়ি ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, হোল্ডিং-এ জন্মগ্রহণ করিয়াছে এবং আমি তাহার জন্মের সময় উপস্থিত ছিলাম এবং প্রসুতি ও নবজাত শিশু (আবদুর রহমান খান)-দের সেবা-যত্নের ব্যবস্থায় অংশ গ্রহণ করিয়াছি।
২। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৫/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-৭
কাহারো জন্মের তারিখ সম্পর্কে তাহার চাচার হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, কামাল হোসেন, পিতা মৃত জামাল হোসেন, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
লিম
১। আমার ভাতিজা আবদুর রহমান, পিতা মৃত আবদুর রহিম, ১১, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, তাহার মাতা মোসাম্মত হালিমা খাতুন, পতি আবদুর রহিম (বর্তমানে মৃত), ১১, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-এর গর্ভ হইতে বিগত ১০/০৩/১৯৭৫ ইং তারিখ জন্মগ্রহণ করেন এবং আমি তাহার জন্ম কালে উপস্থিত ছিলাম।
এইতে প্রাহার আবদুর
২। উপরোক্ত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
বলিক
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
আইনজীবি
হলফনামা-৮
কাহারো জন্ম তারিখ সম্পর্কে তাহার জেষ্ঠ্য ভ্রাতার হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, আবদুর রহমান, পিতা মৃত আবদুর রহিম, বয়স ৪০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমার সহোদর কণিষ্ঠ ভ্রাতা আবদুস সামাদ পিতা আবদুর রহিম (বর্তমানে মৃত), ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ আমার মাতা মোসাম্মত হালিমা খাতুন, পতি আবদুর রহিম (বর্তমানে মৃত), ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-এর গর্ভহইতে বিগত ১০/০৩/১৯৮০ ইং তারিখ জন্মগ্রহণ করেন এবং আমি তাহার জন্মকালে হাজির ছিলাম।
২। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
বিটা আমাকে হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি জান জ্যাক রামাদাআমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ বনাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য मिशन ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটরী মাগীর পালাদছোট পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-৯
বয়স সম্পর্কে নিজের হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
১১
আমি, মনু মিয়া, পিতা মৃত আলী মিয়া, বয়স ৪৫ বৎসর, গ্রাম রসুলপুর, ডাকঘর শিমুলতলি, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা কৃষিকাজ, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি
১। ১৯৭১ ইং সনে মুক্তিযুদ্ধ অনুষ্ঠিত হইয়াছিল।
২। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমার বয়স ছিল মাত্র ১০ (দশ) বৎসর এবং ইহা আমার খুব ভাল ভাবে মনে আছে।
৩। উপরোক্ত হিসাব অনুসারে বর্তমান ২০০৬ ইং সনে আমার বয়স ৪৫ (পয়াল্লিশ) বৎসর।
৪। উপরে লিখিত বিবরণ অন্যের দ্বারা পড়াইয়া শুনিয়া উহাকে আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া টিপ সহিতে অত্র হলফনামা সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। সিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার ঢিপ সহি দিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১০
হিন্দুর মুসলমান হইবার হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভূতপূর্ব সুবল চন্দ্র দাস, পিতা মৃত বিমল চন্দ্র দাস, বয়স ২৫ বৎসর, সাকিন শিবপুর, থানা কালিগঞ্জ, জেলা ঢাকা, বর্তমানে ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম (পূর্বে হিন্দুধর্ম), পেশা-চাকুরী, জাতীয়তা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এতদ্বারা পথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। এক হিন্দু পরিবারে আমার জন্ম হয় এবং আমার পিতা-মাতা হিন্দু বটে।
২। ছেলেবেলা হইতেই আমি মুসলমান ছেলেদের সাথে বন্ধুর মত মিশিয়াছি এবং এই ভাবে আমি তাহাদের ধর্ম ইসলাম সম্পর্কে আগ্রহী হইয়াছি।
আমি পবিত্র কোরআন শরীফের বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ পড়িয়াছি। আমি বাংলায় লিখিত হাদীস পড়িয়াছি। আমি ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনী পড়িয়াছি। আমি ইসলাম ধর্মের সৌন্দর্য ও সরলতায় মুগ্ধ হইয়া ইসলাম গ্রহণ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং তদানুযায়ী অদ্য আমি স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের পরিচালনায় সাক্ষীগণের সম্মুখে আরবীতে কলেমা উচ্চারণ ক্রমে ইসলাম গ্রহণ করিলাম এবং আমার নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান রাখিলাম।
৩ এখন আমি একজন মুসলমান এবং আমার নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।
৪। আমি কোন প্রকার ভয়-ভীতি, লোভ-লালসায় প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণরূপ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করিয়াছি।
৫। উপরে লিখিত বিবরণ আমায় জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১১
বৌদ্ধের মুসলমান হইবার হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভূতপূর্ব কমল কান্তি বড়য়া, পিতা বিমল কান্তি বড়ুয়া, বয়স ৩০ বৎসর, ধর্ম বর্তমানে ইসলাম, পূর্বে বৌদ্ধ ধর্ম, সাকিন টিলাপাড়া, থানা রাউজান, জেলা চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ, পেশা চাকুরী, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে যেঃ-
১। আমি একটি বৌদ্ধ পরিবারে জন্মগ্রহণ করি এবং আমার পিতা-মাতা বৌদ্ধ বটে।
২। ছেলেবেলা হইতেই আমি মুসলমান বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করিতে শুরু করি এবং তাহাদের মাধ্যমে আমি ইসলাম ধর্মের সত্যতা ও সরলতা সম্পর্কে জানিতে পারি এবং আমি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হই যে ইসলামই শ্রেষ্ঠতম জীবন ব্যবস্থা।
৩। উপরোক্ত মানসিক অবস্থায় আমি ইসলাম গ্রহণ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং তদানুযায়ী অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের হাতে হাত রাখিয়া সাক্ষীগণের সম্মুখে আরবীতে প্রকাশ্যে কলেমা উচ্চারণ করিয়া ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করিলাম, মুসলমান হইলাম এবং আমার নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান রাখিলাম।
81 আমি কোন প্রকার লোভ লালসা বা ভয়-ভীতি দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্নরূপ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করিলাম।
৫। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১২
খ্রিস্টানের মুসলমান হইবার হলফনামা
জীশ্রী ভর্তীচী বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
১৫
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভূতপূর্ব রমেশ গোমেজ, পিতা মৃত দিনেশ গোমেজ, বয়স ২৫ বৎসর, সাকিন বান্দুরা, থানা দোহার, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা-চাকুরী, জাতীয়তা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে:-
১। আমি একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করি এবং আমার পিতা মাতা খ্রিস্টান বটে।
২। ছেলেবেলা হইতেই আমি আমার মুসলমান ক্লাশমেটদের সাথে মিশিতে শুরু করি এবং ক্রমে ক্রমে আমি তাহাদের জীবনধারা ও তাহাদের ধর্ম সম্পর্কে জানিতে শুরু করি। আমি পবিত্র কোরআনের বাংলা ও ইংরেজি অনুবাদ পড়িয়াছি, আমি বাংলায় হাদীস পড়িয়াছি এবং ইসলামের নবী হযরত মুহম্মদ (সঃ) এর জীবনী পড়িয়াছি। আমি ইসলামের সরলতা এবং নবীর ত্যাগে চরম ভাবে মুগ্ধ হইয়াছি।
৩। উপরোক্ত মানসিক অবস্থায় আমি ইসলাম গ্রহণ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং তদানুযায়ী অদ্য স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের পরিচালনায় সাক্ষীগণের সম্মুখে আরবীতে প্রকাশ্যে কলেমা উচ্চারণ ক্রমে ইসলাম গ্রহণ করিলাম ও মুসলমান হইলাম এবং আমার নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান রাখিলাম।
৪। অদ্য হইতে আমি সকলের নিকট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নামে পরিচিত হইব এবং আমাকে এই নামেই সম্বোধন করিতে হইবে।
৫। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীব
হলফনামা-১৩ নিয়ে কট
প্রকৃতির পূজারীর মুসলমান হইবার হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
চ্যালান ক্যারট চালক হিয়াকে
হলফনামা
কী
১৭
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভূর্তপূর্ব কালু সোরেন, পিতা মৃত লালু সোরেন, বয়স ২৫ বৎসর, সাকিন খানপুর, থানা নাচোল, জেলা নওগা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা শ্রমজীবি, জাতীয়তা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমি একটি প্রকৃতির পূজারী পরিবারে জন্মগ্রহণ করি এবং আমার পিতা-মাতা প্রকৃতির পূজারী বটে।
২। একজন প্রকৃতির পূজারী হিসাবেই আমি বয়ঃপ্রাপ্ত হইয়াছি।
৩। সাম্প্রতিক কালে আমি আমার গ্রামের মুসলমান সমবয়স্কদের সংস্পর্শে আসিয়াছি এবং তাহাদের জীবনধারা ও তাহাদের ধর্ম সম্পর্কে জানিতে পারিয়াছি।
৪। আমি বেশ কয়েকটি ওয়াজ মাহফিল ও ইসলামিক জলসায় শ্রোতা হিসাবে উপস্থিত থাকিয়াছি এবং প্রখ্যাত মওলানাদের ওয়াজ-নছিহত শুনিয়াছি। আমি আমার মুসলমান বন্ধু ও উপরোক্ত মওলানাদের নিকট হইতে ইসলামের নবী হযরত মুহম্মদ (স) সম্পর্কে শুনিয়াছি।
৫। আমি আমার আশ-পাশের মুসলমানদের সরল জীবন ব্যবস্থা ও ইসলামের নবীর আত্মত্যাগে চরম ভাবে মুগ্ধ ও মোহিত হইয়াছি। মৃত্যুর পরবর্তী বেহেস্তের জীবন আমাকে চরম ভাবে আকর্ষণ করিয়াছে।
৬। আমি লেখাপড়া জানি না, তথাপি আমি গভীর ভাবে চিন্তা-ভাবনা করিয়া এই সিদ্ধান্তে উপনীত হইয়াছি যে ধর্মগুলির মধ্যে ইসলামই আমাকে চরম ভাবে আকর্ষণ করে এবং এইজন্য আমি ইসলাম গ্রহণ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।
৭। উপরোক্ত সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমি অদ্যরোজ স্থানীয় মসজিদের ইমাম মওলানা বেলাল আহমেদের হাতে হাত রাখিয়া সাক্ষীগণের সম্মুখে প্রকাশ্যে আবরীতে কলেমা উচ্চারণ করিয়া ইসলাম গ্রহণ করিলাম ও মুসলমান হইলাম এবং আমার নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান রাখিলাম।
৮। অদ্য হইতে আমি সকলের নিকট মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান নামে পরিচিত হইব।
৯। আমি কোন প্রকার লোভ-লালসা বা ভয়-ভীতি বা প্রলোভন দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণরূপ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করিলাম।
১০। উপরে লিখিত বিবরণ আমার কথা মত লিখা হইয়াছে।
১১। উপরে লিখিত বিবরণ অন্যের দ্বারা পাঠ করাইয়া শুনিয়া উহাকে আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ টিপ সহি মাধ্যমে অত্র হলফনামা সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার টিপ সহি দিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১৪
আদিবাসীর মুসলমান হইবার হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
১৯
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ভূতপূর্ব রবি হাজং, পিতা মৃত কালি হাজং, বয়স ২৫ বৎসর, জন্মে আদিবাসী, ধর্ম ইসলাম, পেশা শ্রমজীবী ও পশুপালন, সাকিন গজারীর চালা, থানা গাজীপুর, জেলা গাজীপুর, বাংলাদেশ এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমি একটি আদিবাসী পরিবারে জন্মগ্রহণ করি এবং আমার পিতা-মাতা আদিবাসী বটে।
২। আমার গ্রামের শতকরা ৯০ জন অধিবাসী মুসলমান। আমি ছেলেবেলা হইতেই তাহাদের সাথে মিশিয়াছি এবং তাহাদের জীবনধারা অতি নিকট হইতে পর্যবেক্ষণ করিয়াছি।
৩। মুসলিম জীবন ধারা আমার নিকট খুব আকর্ষণীয় বলিয়া মনে হইয়াছে। মুসলমানদের জীবনের সরলতা এবং তাহাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নিকট তাহাদের সকলের সমতা আমাকে চরম ভাবে মুগ্ধ করিয়াছে। ক্রমে ক্রমে আমি ইসলাম ধর্ম ও মুসলমানদের প্রেমিকে পরিণত হইয়াছি। সবশেষে আমি ইসলাম গ্রহণ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং তদানুযায়ী আমি অদ্যরোজ স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের পরিচালনায় সাক্ষীগণের সম্মুখে প্রকাশ্যে আরবীতে কলেমা উচ্চারণ করিয়া ইসলাম গ্রহণ করিলাম এবং মুসলমান হইলাম এবং আমার নাম মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান রাখিলাম।
৪। অদ্য হইতে আমি একজন মুসলমান হিসাবে মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান স্বরূপে সকলের নিকট পরিচিত হইব এবং আমাকে এই নামেই ডাকিতে ও লিখিতে হইবে।
৫। আমি কোন প্রকার ভয়-ভীতি বা লোভ-লালসা বা প্রলোভন দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণ রূপ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করিলাম ও মুসলমান হইলাম।
৬। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৬/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সন্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১৫
মানিক কোন কিছু হারাইয়াছে মর্মে হলফনামা জানি বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
২১
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, বয়স ২৪ বৎসর, সাকিন খালপার, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা চাকুরী, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে৪৫৫ ম্যাচ নিচে কারাশর িিখত হন তোল চতুন সানীর
১। আমার এসএসসি সার্টিফিকেট রোল-ঢাকা, নং-৫৫৫৫৫৫, সন ১৯৯৫ ১৪ইং, মানবিক গ্রুপ, ঢাকা-বোর্ড হারাইয়া গিয়াছে। ১০ দিলাপাক
২। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৭/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
আমি হলফকারী
同
মুলাদীয়া
আহলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য নাক দিবর ইত্যাদি ২৭/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী চারক ফিীস চাপাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
প্রাচটীক জানে নারকী
আইনজীবি
হলফনামা-১৬
বিবাহের উদ্দেশ্যে মুসলিম বর-কনের যৌথ হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমরা (১) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, বয়স ২৮ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা চাকুরী, জাতীয়তা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এবং (২) মোসাম্মৎ জামিলা খাতুন, পিতা মৃত আলী আশরাফ খান, বয়স ২১ বৎসর, ১০, লালবাগ রোড, থানা লালবাগ, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা- লেখাপড়া, জাতীয়তা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি
১। আমরা প্রত্যেকেই বয়স্ক, সুই জুরিস (সরাসরি মামলা দায়ের করিতে পারি এবং আমাদের বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা দায়ের করা যায়) এবং অত্র হলফনামা সম্পাদন করিতে সক্ষম বটে।
২। বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ আমরা পরস্পরকে চিনি এবং সেই পরিচয়ের সূত্রে আমাদের মধ্যে গভীর ভালবাসার সৃষ্টি হইয়াছে এবং আমরা পরস্পরের গভীর প্রেমে পড়িয়াছি। বর্তমানে পরিস্থিতি এই যে বিচ্ছিন্ন হইলে আমরা চরম ব্যথা অনুভব করি।
৩। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমরা পরস্পরকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি এবং তদানুযায়ী আমরা শীঘ্রই ইসলামী শরা-শরিয়ত মোতাবেক বিবাহ করিয়া কাজী অফিসে বিবাহ রেজিস্ট্রি করিব।
৪। আমরা কোন প্রকার লোভ-লালসা বা ভয়-ভীতি দ্বারা প্রভাবিত বা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণ রূপ স্বেচ্ছায় পরস্পরকে বিবাহ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলাম।
৫। উপরে লিখিত বিবরণ আমাদের প্রত্যেকের জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৭/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
১।
২।
হলফকারীদ্বয়
সাজা
হলফকারীদ্বয় আমার নিকট পরিচিত। তাহাদের প্রত্যেকে আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহাদের প্রত্যেকের নিজ নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাদিগকে অদ্য ২৭/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটরী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১৭
হিন্দু বর-কনের বিবাহের হলফনামা
ছাতায়াত। উত্তী বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
শ্রীং জন ভোটী চোদী ক্যাত হলফনামা
আমরা (১) নিবারণ চন্দ্র পাল, পিতা রবীনচন্দ্র পাল, বয়স ২৮ বৎসর, সাকিন ব্রাহ্মণপাড়া, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ এবং (২) বকুল রানী পাল, পিতা বিরেন চন্দ্র পাল, বয়স ২২ বৎসর, সাকিন ব্রাহ্মণপাড়া, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, উভয়ের ধর্ম হিন্দুধর্ম, পেশা যথাক্রমে চাকুরী ও লেখাপড়া, জাতীয়তা জন্মসূত্রে বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি
১। আমরা প্রত্যেকেই বয়স্ক, সুই জুরিস এবং অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিবার যোগ্যতা সম্পন্ন বটে।
২। গত দূর্গা পূজা কালে আমরা পরস্পরের সহিত পরিচিত হই, উক্ত পরিচয় পরস্পরের সহিত ভালবাসায় পরিণত হয় এবং আমরা ক্রমে পরস্পরের গভীর প্রেমে পতিত হই।
৩। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমরা পরস্পরকে বিবাহ করিবার জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি এবং তদানুযায়ী অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাই এবং উক্ত মন্দিরে অধিষ্ঠিত দেবীর সম্মুখে পরস্পর মালা বদল ক্রমে পরস্পরকে বিবাহ করি।
৪। উপরে লিখিত বিবরণ আমাদের প্রত্যেকের জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
১।
২।
হলফকারীদ্বয়
হলফকারীদ্বয় আমার নিকট পরিচিত। তাহারা আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহাদের প্রত্যেকের নিজ নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাদিগকে অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১৮
বিবাহ করিবার উদ্দেশ্যে মুসলিম কনের হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, জমিলা খাতুন, পিতা মৃত মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বয়স ২২ বৎসর, সাকিন খালপাড়, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা লেখাপড়া, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ
১। আমি বয়ঃপ্রাপ্তা মহিলা এবং অত্র হলফনামা সম্পাদন করিবার যোগ্যতা সম্পন্না বটে।
২। জনাব হাসান জামান, পিতা মৃত আলহাজ্ব আজিজুর রহমান, গ্রাম পুকুরপাড়া, থানা কালিগঞ্জ, জেলা গাজীপুর, বাংলাদেশ-এর সহিত কয়েক বৎসর পূর্বে আমার পরিচয় হয় এবং আমাদের পরিচিতি ক্রমে গভীর প্রণয়ে পরিণত হয় এবং ফলে আমি তাহার গভীর প্রেমে পড়িয়াছি।
৩। আমার বিবাহের বয়স হইয়াছে এবং আমি দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর উক্ত হাসান জামানকে বিবাহ করিবার স্থির ও অনড় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি এবং শীঘ্রই আমি পূর্ণাঙ্গ ইসলামী শরা-শরিয়ত মোতাবেক উক্ত হাসান জামানকে বিবাহ করিব এবং কাজী অফিসে গিয়া উক্ত বিবাহ রেজিস্ট্রি করিব।
81 আমি কোন প্রকার ভয়-ভীতি, লোভ-লালসা দ্বারা প্রভাবিত বা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণরূপ স্বেচ্ছায় উক্ত হাসান জামানকে বিবাহ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি।
৫। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-১৯
হিন্দু মহিলার মুসলমান হইবার এবং
মুসলিম যুবককে বিবাহ করিবার উদ্দেশ্যে হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, জমিলা খাতুন, ভূতপূর্ব বকুল রানী পাল, পিতা বিমল কুমার পাল, বয়স ২০ বৎসর, সাকিন ব্রাহ্মণপাড়া, থানা কালিপুর, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা লেখাপড়া, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমি বয়ঃপ্রাপ্তা, সুই জুরিস এবং অত্র হলফনামা সম্পাদন করিতে যোগ্যতা সম্পন্না বটে।
২। কয়েক বৎসর পূর্বে আমি আবদুস সামাদ, পিতা মৃত আবদুস সালাম, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-এর সহিত পরিচিত হই। উক্ত পরিচয়ের সূত্রে আমি তাহার সহিত বন্ধুত্ব স্থাপন করি। উক্ত বন্ধুত্ব ক্রমশ প্রেমে পরিণত হয় এবং শেষ পর্যন্ত আমি তাহার গভীর প্রেমে পতিত হই।
৩। উক্ত আবদুস সামাদও আমার প্রেমে সাড়া দেন এবং আমার গভীর প্রেমে পতিত হন।
৪। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমি উক্ত আবদুস সামাদকে বিবাহ করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।
৫। যেহেতু মুসলমান না হইলে আমার পক্ষে উক্ত আবদুস সামাদকে বিবাহ করা সম্ভব নহে তাই আমি অদ্য রোজ স্থানীয় মসজিদের ইমাম সাহেবের পরিচালনায় সাক্ষীগণের সম্মুখে প্রকাশ্যে আরবীতে কলেমা উচ্চারণ করিয়া ইসলাম গ্রহণ করিলাম, মুসলমান হইলাম এবং আমার নাম জমিলা খাতুন রাখিলাম।
৬। আমি অতি শীঘ্রই ইসলামী শরা-শরিয়ত মোতাবেক উপরোক্ত আবদুস সামাদকে বিবাহ করিব এবং কাজী অফিসে উক্ত বিবাহ রেজিস্ট্রি করিব।
৭। আমি সম্পূর্ণরূপ স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করিয়াছি' এবং উপরোক্ত আবদুস সামাদকে বিবাহ করিতে সিদ্বান্ত গ্রহণ করিয়াছি।
৮। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৮/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২০
শ্রয়ী
স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাকের হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত আলহাজ্ব হাফিজুর রহমান, বয়স ৩৫ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমি একখণ্ড রেজিস্ট্রিকৃত কাবিননামা মূলে ইসলামী শরা-শরিয়ত মোতাবেক বিগত ০২/০২/২০০২ ইং তারিখ জমিলা খাতুন, পিতা আবদুল করিম, ১০, লালবাগ রোড, থানা সবুজবাগ, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-কে বিবাহ করিয়াছি।
২। উক্ত বিবাহের দেনমোহরের পরিমাণ ছিল ১,০০,০০১ (এক লক্ষ এক টাকা) এবং উহার অর্ধেক পরিমাণ স্বর্ণালঙ্কার মাধ্যমে বিবাহের দিনেই আমা কর্তৃক পরিশোধ করা হইয়াছিল।
৩। আমার উপরোক্ত স্ত্রী বিবাহের পরবর্তী কয়েক মাস আমার সহিত সুখে -শান্তিতে বসবাস করে। পরবর্তীতে আমার স্ত্রী আমার প্রতি অবাধ্য হইয়া যায় এবং অনৈসলামিক জীবনযাপন করিতে শুরু করে। আমি তাহাকে ইসলামিক জীবন ধারায় ফিরাইয়া আনিবার জন্য বহু চেষ্টা করিয়াছি, কিন্তু আমার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হইয়াছে।
৪। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমার দাম্পত্য জীবন বিষময় হইয়া উঠিয়াছে এবং আমি আমার উপরোক্ত স্ত্রীকে তালাক প্রদান করিবার নিমিত্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি এবং তদানুযায়ী আমি অদ্য সাক্ষীগণের সম্মুখে "আমি জমিলা খাতুনকে তালাক দিলাম" কথাটি তিনবার উচ্চারণ করিয়া আমি আমার স্ত্রী জমিলা খাতুনকে তালাক প্রদান করিলাম।
৫। অদ্য হইতে আমি উপরোক্ত জমিলা খাতুনের স্বামী নহি এবং জমিলা খাতুন আমার স্ত্রী নহে এবং আমরা পরস্পর পরস্পরের জন্য হারাম ও অবশ্য পরিত্যাজ্য বটে।
৬। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৯/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৯/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২১
স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক প্রদানের হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, মোসাম্মত জমিলা খাতুন, পিতা মৃত মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, স্বামী আবদুস সামাদ, বয়স ২৫ বৎসর, ১০, সবুজ রোড, থানা সবুজবাগ, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা গৃহকর্ম, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমাকে বিগত ০২/০২/২০০৩ ইং তারিখ একখণ্ড রেজিস্ট্রিকৃত কাবিন নামা মূলে আবদুস সামাদ, পিতা মৃত আবদুস সালাম, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-এর নিকট বিবাহ দেওয়া হয়।
২। আমার উপরোক্ত বিবাহে ৩,০০,০০১/= (তিন লক্ষ এক) টাকা দেনমোহর ধার্য করা হয় এবং উহার সম্পূর্ন অংশই বাকী/ অপরিশোধিত থাকিয়া যায়।
৩। উক্ত বিবাহ বন্ধনের ফলশ্রুতিতে আমার গর্ভ হইতে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয় এবং তাহার নাম জিনাত মহল ওরফে ইরানী রাখা হয়।
৪। বিবাহের পর হইতে প্রায় এক বৎসর পর্যন্ত আমার স্বামীর সহিত আমার দাম্পত্য জীবন সুখে-শান্তিতে কাটে। পরবর্তীতে আমার স্বামীর কারণে আমার দাম্পত্র জীবন অসুখী হইয়া পড়ে।
৫। আমার উপরোক্ত স্বামী একজন সন্ত্রাসী এবং তাহার কোন আইনসম্মত আয়ের উৎস নাই। আমার স্বামী নারী, মদ ও জুয়া খেলায় আসক্ত। বাড়ি ভাড়া ব্যতীত তাহার আর কোন আয় নাই। তিনি খারাপ স্ত্রীলোকদের সাথে মেলামেশা করেন এবং প্রায়ই মদাসক্ত হইয়া গভীর রাত্রে ঘরে ফিরিয়া আসেন।
৬। আমি তাহাকে সঠিক পথে ফিরাইয়া আনিবার জন্য বহু চেষ্টা করিয়াছি, কিন্তু আমার সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হইয়াছে।
৭। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমি আমার স্বামীর সহিত বিদ্যমান বৈবাহিক সর্ম্পক তালাকের মাধ্যমে ছিন্ন করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি। উল্লেখ থাকে যে কাবিননামার শর্ত মোতাবেক আমার তালাক-ই তাফউইজ-এর অধিকার রহিয়াছে এবং উক্ত ক্ষমতার অনুবলে আমি অদ্যরোজ নিজেকে
আমার স্বামী আবদুস সামাদ-এর জজিয়ত হইতে মুক্ত/বিচ্ছিন্ন ঘোষণা করিলাম। অদ্য হইতে আমি আবদুস সামাদের স্ত্রী নহি এবং আবদুস সামাদ আমার স্বামী নহে এবং আমরা পরস্পর পরস্পরের নিকট হারাম ও অবশ্য পরিত্যাজ্য বটে।
৮। আমি কোনরূপ লোভ-লালসা বা ভয়-ভীতি দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণ রূপ স্বেচ্ছায় আমার উপরোক্ত স্বামী হইতে নিজেকে মুক্ত/জুদা ঘোষণা করিলাম।
৯। আমি অদ্যই/অতি শীঘ্রই অদ্যকার তালাক কাজী অফিসে যথারীতি রেজিস্ট্রি করিব।
১০। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ২৯/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ২৯/০৩/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২২
স্বামী-স্ত্রী কর্তৃক পারস্পারিক তালাক (তালাক-ই-মুবারাত)-এর
হলফনামা (affidavit of mutual divorce)
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমরা (১) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত মোঃ হাফিজুর রহমান, বয়স ৩৫ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, এবং (২) মোসাম্মত জমিলা খাতুন, স্বামী মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বয়স ২৮ বৎসর, ১০, সবুজবাগ রোড, থানা সবুজবাগ, জেলা ঢাকা উভয়ের ধর্ম ইসলাম, পেশা চাকুরী, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণপূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমরা বিগত ০২/০২/২০০০ ইং তারিখ এক খণ্ড রেজিস্ট্রিকৃত কাবিন নামা মূলে ইসলামী শরা-শরিয়ত মোতাবেক পরস্পরকে বিবাহ করিয়াছি।
২। উক্ত বিবাহে আমাদের এক কন্যা সন্তানের জন্ম হইয়াছে এবং তাহার নাম জিনাত মহল রাখা হইয়াছে।
৩। উপরোক্ত কাবিননামা দ্বারা আমি ২ নং হলফকারিনীকে (মোসাম্মত জমিলা খাতুনকে) তালাক-ই-তাফউইজ-এর ক্ষমতা প্রদান করা হইয়াছে।
৪। অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় এই যে'নানা কারণে আমরা আমাদের দাম্পত্য জীবন সুখে-শান্তিতে পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইয়াছি এবং তদানুযায়ী আমরা পারস্পরিক তালাক/তালাক-ই-মুবাররাত মাধ্যমে আমাদের মধ্যে বিদ্যমান বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি।
৫। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমরা অদ্য সাক্ষীগণের সম্মুখে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক ঘোষণা মাধ্যমে পরস্পরকে তালাক প্রদান করিলাম।
৬। অদ্য হইতে আমরা পরস্পর আর স্বামী-স্ত্রী নহি এবং আমরা পরস্পরের নিকট হারাম ও অবশ্য পরিত্যাজ্য বটে।
৭। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়তার সহিত ঘোষণা করিতেছি যে আমাদের একজনের নিকট অন্যের কোন দাবী-দাওয়া রহিল না এবং আমি মোসাম্মত জমিলা খাতুন আমার দেনমোহরের সাকুল্য দাবী এতদ্বারা প্রত্যাহার করিলাম। ভবিষ্যতে আমরা পরস্পরের নিকট কোন দাবী-দাওয়া উত্থাপন করিতে পারিব না।
। নাবালিকা জিনাত মহল আমি মোসাম্মত জমিলা খাতুনের নিকট থাকিবে এবং সে বয়োপ্রাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাহার খোরপোষ আমি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বহন করিব। খোরপোষের পরিমাণ আমরা সময়ে সময়ে পারস্পারিক আলাপ-আলোচনাক্রমে নির্ধারণ করিব।
৯।
পরস্পরের বিরুদ্ধে কোন কিছু করা হইতে আমরা বিরত থাকিব।
১০। আমরা শীঘ্রই অত্র তালাক কাজী অফিসে রেজিস্ট্রি করিব।
১১। আমরা কোন প্রকার ভয়-ভীতি বা লোভ-লালসা দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণরূপ স্বেচ্ছায় পরম্পরকে তালাক প্রদান করিলাম।
১২। উপরে লিখিত বিবরণ আমাদের প্রত্যেকের জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
(১)
(২)
হলফকারীগণ
হলফকারীদ্বয় আমার নিকট পরিচিত। তাহারা আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহাদের নিজ নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাদিগকে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২৩
হিন্দু স্ত্রী হইতে বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করিবার জন্য (Separation) হিন্দু স্বামীর হলফনামা বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, নবীন চন্দ্র সেন, পিতা মৃত পূর্ণ চন্দ্র সেন, বয়স ৪০ বৎসর, গ্রাম ব্রাহ্মণপাড়া, থানা শ্রীনগর, জেলা কালিপুর, বাংলাদেশ, ধর্ম হিন্দুধর্ম, পেশা চাকুরী, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। শ্রীমতি বকুল রানী সেন, পিতা পরিমল চন্দ্র সেন, গ্রাম কালিকাপুর, থানা সাভার, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ আমার বৈধ বিবাহিতা স্ত্রী।
২। আমার উপরোক্ত স্ত্রী আমার প্রতি সম্পূর্ণরূপে অবাধ্য এবং অবিশ্বাসী। সে আমার কথা শুনে না, আদেশ মানে না, অনুরোধ রাখে না, ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোন মূল্য দেয় না। অধিকন্তু সে তাহার গোপন প্রেমিকদের সহিত যোগাযোগ রক্ষা করে।
৩।
আমার খুব ভয় হয় যে সে এবং তাহার গোপন প্রেমিকরা আমাকে হত্যা করিবে। আমি সব সময় প্রাণ ভয়ে ভীত থাকি।
৪। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমার স্ত্রীর সাথে দাম্পত্য জীবন যাপন করা বা একই ছাদের নীচে একত্রে বসবাস করা আমার পক্ষে সম্পূর্ণরূপ অসম্ভব হইয়া পড়িয়াছে এবং তজ্জন্য আমি আলাদা ভাবে বসবাস করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি এবং তদানুযায়ী অদ্য হইতে আমি আমার স্ত্রী উপরোক্ত বকুল রানী সেন হইতে পৃথক/আলাদা/ বিচ্ছিন্ন/ separate হইলাম এবং অদ্য হইতে আমি তাহার নিকট হইতে আলাদা/পৃথক/ বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করিব।
৫। আমার স্ত্রী বর্তমানে তাহার পিতা-মাতার সহিত তাহার পিতার বাড়িতে বসবাস করিতেছেন এবং আমিও তাহাকে তাহার পিতার বাড়িতে বসবাস করিবার জন্য অনুরোধ করিতেছি।
19
যদিও আমার স্ত্রী আমার প্রতি অবাধ্য তথাপি আমি আমার আমৃত্যু তাহাকে ভরনপোষণ প্রদান করিব।
۹۱ আমি কোন প্রকার ভয়-ভীতি বা লোভ-লালসা বা প্রলোভন দ্বারা প্ররোচিত না হইয়া সম্পূর্ণরূপ স্বাধীন ইচ্ছায় আমার স্ত্রীর নিকট হইতে বিচ্ছিন্ন ভাবে বসবাস করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলাম।
৮। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২৪
হিন্দু স্ত্রী কর্তৃক সেপারেশনের হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, বকুল রানী পাল, স্বামী রাধা গোবিন্দ পাল, বয়স ২৫ বৎসর, গ্রাম ব্রাহ্মণপাড়া, থানা কালিপুর, জেলা মহাদেবপুর, বাংলাদেশ, ধর্ম হিন্দু ধর্ম, পেশা গৃহকর্ম, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমি বয়স্কা, সুই জুরিস এবং অত্র হলফনামা সম্পাদন করিতে সক্ষম বটে।
২। আমাকে বিগত ০২/০২/২০০০ ইং তারিখ রাধা গোবিন্দ পাল, পিতা মৃত রবীন্দ্র নাথ পাল, ১০, গোপীকিশান লেন, থানা লালপুর, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-এর নিকট বিবাহ দেওয়া হইয়াছে।
৩। উক্ত বিবাহের ফলে আমার উপরোক্ত স্বামীর ঔরশে আমার গর্ভ হইতে এক কন্যা সন্তানের জন্ম হইয়াছে এবং তাহার নাম কামিনী রাণী পাল রাখা হইয়াছে।
৪। আমার উপরোক্ত স্বামী একজন মদারু ও জোয়ারু। তিনি অসতী স্ত্রীলোকদের সাথে মেলামেশা করেন। প্রতি দিনই তিনি মদাসক্ত হইয়া গভীর রাতে বাড়িতে ফিরেন। বাড়ি ভাড়া ছাড়া তাহার আর কোন আইনসম্মত আয় নাই। প্রায়ই তিনি আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তিনি মাঝে মাঝে আমাকে মারপিট করেন। তিনি আমার জীবনকে অসহ্য করিয়া তুলিয়াছেন এবং আমার উপর তাহার নির্যাতনের পরিমাণ সহ্যের সীমা অতিক্রম করিয়াছে।
৫। আমি তাহাকে সুপথে ফিরাইয়া আনিতে বহু চেষ্টা করিয়াছি, কিন্তু আমি ব্যর্থ হইয়াছি।
৬। আমার ভয় হয় তিনি আমাকে মারিয়া ফেলিবেন। আমি আর তাহার সহিত একই ছাদের নীচে জীবন কাটাইতে পারি না।
৭। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে আমি আলাদা ভাবে বসবাস করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি এবং অদ্য হইতে আমি আমার স্বামী রাধা গোবিন্দ পাল-এর নিকট হইতে আলাদা ভাবে আমার পিতা-মাতার সহিত আমার পিতার
বাড়ি গ্রাম ব্রাহ্মণপাড়া, থানা কালিপুর, জেলা মহাদেবপুর, বাংলাদেশ ঠিকানায় বসবাস করিব। আমার নাবালিকা কন্যা সন্তান আমার সহিত বসবাস করিবে।
৮। যদিও আমি আলাদা ভাবে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় বসবাস করিব তথাপি আমি রাধা গোবিন্দ পালের স্ত্রীই বিদ্যমান থাকিব এবং তজ্জন্য আমি আমার স্বামীর নিকট হইতে মাসিক খোরপোষ/ভরনপোষণ পাইবার অধিকারী বটে।
৯। আমার নাবালিকা কন্যা কামিনী রানী পাল নাবালক থাকাকালীন সময়ে তদ্বীয় পিতা রাধা গোবিন্দ পালের নিকট হইতে মাসিক খোরপোষ নিয়মিত ভাবে পাইবার অধিকারী বটে।
১০। আমি কোন লোভ-লালসা, ভয়-ভীতি বা প্রলোভন-প্ররোচনা দ্বারা প্রভাবিত না হইয়া সম্পূর্ণ রূপ স্বেচ্ছায় আমার স্বামী হইতে আলাদা ভাবে (separately) বসবাস করিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিলাম।
১১। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারিনী
হলফকারিনী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী ১৪ পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২৫
রাজউক হইতে প্লট পাইবার জন্য হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত হামিদুর রহমান, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। আমি রাজউক-এর সুইট হেভেন প্রকল্পে একটি প্লট পাইবার জন্য দরখাস্ত দাখিল করিয়াছি।
২। ঢাকা মহানগরী এবং ইহার ....... কিলোমিটার এলাকার মধ্যে আমার নিজের বা স্ত্রীর বা আমার কোন পুষ্যের নামে কোন স্থাবর সম্পত্তি নাই।
উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম। ৩।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
কহলফনামা-২৬
সাকসেসন মামলায় সকল দরখাস্তকারীদের পক্ষে একজন দরখাস্তকারীকে টাকা তুলিবার অনুমতি প্রদান করিবার জন্য হলফনামা
চিকচিকাচ
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
৪১
আমরা (১) হাবিবুর রহমান (২) হাফিজুর রহমান (৩) রেহেনা রহমান (৪) রিজিয়া রহমান সকলের পিতা মৃত হামিদুর রহমান (৫) মোসাম্মত রোকেয়া বেগম পতি মৃত হামিদুর রহমান, বয়স যথাক্রমে ৪০, ৩৮, ৩৬, ৩৪ এবং ৫৮ বৎসর, সকলের সাকিন ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা চাকুরী ও গৃহকর্ম, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে:-
১। হামিদুর রহমান পিতা মৃত খালিকুর রহমান, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ বিগত ০২/০২/২০০৬ ইং তারিখ ৩ পুত্র বজলুর রহমান এবং ১-২ নং হলফকারী হাবিবুর রহমান ও হাফিজুর রহমান; ২ কন্যা ৩-৪ নং হলফকারী রেহেনা রহমান ও রিজিয়া রহমান এবং ১ স্ত্রী ৫ নং হলফকারী মোসাম্মত রোকেয়া বেগম-দেরকে তৎত্যাজ্য বিত্তভোগী ওয়ারিশ বিদ্যমান রাখিয়া পরলোক গমন করেন।
২। উপরোক্ত হামিদুর রহমানের আর কোন ওয়ারিশ নাই।
৩। উক্ত হামিদুর রহমান সোনালী ব্যাংক, রমনা শাখা, ঢাকা-র এসবি এসি নং ৫৫৫৫৫৫ তে
টাকা রাখিয়া গিয়াছেন যাহাকে নিম্ম তফসিলে সুচারুরূপে বর্ণনা করা হইয়াছে।
P
81 উক্ত হামিদুর রহমানের উপরোক্ত ওয়ারিশগণ নিম্ন বর্ণিত হারে উক্ত টাকা পাইবেন:-
বজলুর রহমান
টাকা
১ নং হলফকারী
টাকা
২ নং হলফকারী
টাকা
৩ নং হলফকারী
টাকা
৪ নং হলফকারী
টাকা
৫ নং হলফকারী
টাকা
মোট
টাকা
৫। উপরোক্ত বজলুর রহমান ও অত্র হলফকারীগণ উক্ত টাকা তুলিবার স্বার্থে সাকসেসন সার্টিফিকেটের জন্য মোকাম ঢাকার তৃতীয় যুগ্ম জেলাজজ (জেলা ডেলিগেট জজ আদালত) আদালতে সাকসেসন মামলা নং ৫০/২০০৬ দায়ের করিয়াছেন।
৬। উপরোক্ত বজলুর রহমান উক্ত সাকসেসন মামলার ১ নং দরখাস্তকারী এবং অত্র হলফকারীগণ উহার ২-৬ নং দরখাস্তকারী বটে।
৭। আমরা তাত্র হলফকারীগণ চাই যে আমাদের সকলের পক্ষে উক্ত বজলুর রহমান ব্যাংক হইতে টাকা উত্তোলন করিবেন এবং তজ্জন্য তাহাকে ব্যাংক হইতে টাকা উত্তোলন করিবার নিমিত্ত অনুমতি প্রদান করিলে আমাদের কহোরো কোন আপত্তি নাই ও থাকিবে না।
তফসিল
জেলা ঢাকার রমনা থানাধীন সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখার এসবি/এসি নং ৫৫৫৫৫৫ তে মৃত হামিদুর রহমানের নামে সর্বমোট (.........) টাকা জমা আছে।
৮।
উপরে লিখিত বিবরণ আমাদের জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
(১)
(২)
(৩)
(8)
(৫)
হলফকারীগণ
হলফকারীগণ আমার নিকট পরিচিত। তাহারা আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহাদের নিজ নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাদিগকে অদ্য ০১/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২৭
ফৌজদারী মামলা মীমাংশা করিবার উদ্দ্যেশে হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
৪৩
আমি, হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত হাফিজুর রহমান, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যে:-
১। ভুল বুঝাবুঝি ক্রমে আমি আমার প্রতিবেশী জনাব জিল্লুর রহমান, পিতা মৃত খলিলুর রহমান, ১১, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, বাংলাদেশ-এর বিরুদ্ধে রমনা থানা মামলা নং ১০০(৩) ২০০৫ ধারা ৪০৬/৪২০ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি দায়ের করিয়াছি।
২। স্থানীয় মুরুব্বীদের সুপরামর্শে আমি আদালতের বাহিরে উক্ত মামলা মীমাংশা করিয়া ফেলিবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিয়াছি।
৩। উক্ত মামলার ধারাগুলি মীমাংশাযোগ্য বটে।
৪। উপরে লিখিত বিবরণ আমার জ্ঞান মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
হলফনামা-২৮
আসামীর জামিনে আপত্তি নাই মর্মে ফরিয়াদীর হলফনামা
বরাবরে নোটারী পাবলিক, ঢাকা, বাংলাদেশ
হলফনামা
আমি, হাবিবুর রহমান, পিতা মৃত হাফিজুর রহমান, বয়স ৫০ বৎসর, ১০, রমনা রোড, থানা রমনা, জেলা ঢাকা, ধর্ম ইসলাম, পেশা ব্যবসা, জাতীয়তা বাংলাদেশী এতদ্বারা শপথ গ্রহণ পূর্বক ঘোষণা ও বর্ণনা করিতেছি যেঃ-
১। হোসেন, পিতা আবুল, শ্যামপুর, থানা শ্যাম' র, জেলা ঢাকা এবং আরও ৪ জনের বিরুদ্ধে আমি শ্যামপুর থানা মামলা নং ১০০ (৩) ২০০৬ ধারা ৪২৬ বাংলাদেশ দণ্ডবিধি দায়ের করিয়াছি।
২। জনৈক কাবুল পিতা মৃত কালাম, কাগজীটোলা বস্তি, থানা সুত্রাপুর ঢাকা উক্ত মামলার ৩ নং আসামী।
৩। উক্ত মামলার সকল আসামীকেই পুলিশ বন্দী করিয়াছে এবং তাহারা হাজতে আছে।
৪। পরবর্তীতে আমি তদন্ত করিয়া জানিতে পারিয়াছি যে উক্ত কাবুল উক্ত মামলার ঘটনায় জড়িত নহে।
৫। উপরোক্ত পরিস্থিতিতে উক্ত কাবুলকে জামিনে মুক্তি দিলে আমার কোন আপত্তি নাই ও থাকিবে না।
৬। উপরে লিখিত বিররণ আমার জ্ঞান ও বিশ্বাস মতে সত্য জানিয়া উহাকে শুদ্ধ স্বীকারে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী পাবলিক সাহেবের সম্মুখে হাজির হইয়া অত্র হলফনামা সহি সম্পাদন করিলাম।
হলফকারী
হলফকারী আমার নিকট পরিচিত। তিনি আমার সম্মুখে অত্র হলফনামায় তাহার নিজ নাম সহি করিয়াছেন। আমি তাহাকে অদ্য ০২/০৪/২০০৬ ইং তারিখ ঢাকার নোটারী
পাবলিক সাহেবের সম্মুখে সনাক্ত করিলাম।
আইনজীবি
এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url